Green Hydrogen নিয়ে নতুন আলোচনা কেন?
২৮ অক্টোবর ২০২৬ কেন্দ্রীয় সরকারের Press Information Bureau Green Hydrogen-কে ভারতের Clean Energy Transition-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সার উৎপাদন, Petroleum Refining, Steel, Heavy Transport এবং Shipping-এর মতো খাতে নির্গমন কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব ক্ষেত্রে এটি বিদ্যুতের সরাসরি ব্যবহারের চেয়ে সস্তা বা বেশি কার্যকর হবে—এমন নয়।
Green Hydrogen আসলে কী?
Hydrogen হলো একটি Energy Carrier, অর্থাৎ শক্তি বহন ও ব্যবহারের মাধ্যম। Green Hydrogen সাধারণত Renewable Electricity ব্যবহার করে Water Electrolysis-এর মাধ্যমে উৎপাদিত হয়। এতে পানিকে Hydrogen ও Oxygen-এ ভাঙা হয়। উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের উৎসই Green Hydrogen-এর পরিবেশগত সুবিধা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
Electrolysis কীভাবে কাজ করে?
Electrolyser-এ বিদ্যুৎ ব্যবহার করে জল ভাঙলে Hydrogen এবং Oxygen পাওয়া যায়। Solar বা Wind-এর মতো নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ এলে উৎপাদন পর্যায়ের Carbon Emission কম হতে পারে। তবে Electrolyser তৈরি, জল সংগ্রহ, Compression, Storage এবং Transport-এও শক্তি ও অবকাঠামো লাগে।
Green, Grey ও Blue Hydrogen-এর পার্থক্য
Grey Hydrogen সাধারণত Fossil Fuel-ভিত্তিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় এবং সংশ্লিষ্ট Carbon Emission উল্লেখযোগ্য হতে পারে। Blue Hydrogen-এর ক্ষেত্রে Fossil Fuel ব্যবহার হলেও Carbon Capture-এর ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। Green Hydrogen Renewable Electricity-ভিত্তিক Electrolysis-এর সঙ্গে যুক্ত। বাস্তব পরিবেশগত প্রভাব তুলনা করতে পুরো Life-cycle Emission বিবেচনা করতে হয়।
National Green Hydrogen Mission কী?
ভারতের National Green Hydrogen Mission-এর উদ্দেশ্য দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তি উন্নয়ন, বাজার সৃষ্টি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নির্ভরযোগ্য Certification-কে উৎসাহ দেওয়া। সরকারি নীতিতে উৎপাদক, শিল্প ব্যবহারকারী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সরঞ্জাম নির্মাতাদের মধ্যে সমন্বয়ের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Green Ammonia কেন আলোচনায়?
Hydrogen থেকে Ammonia তৈরি করা যায়, যা সার শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। Renewable Energy-ভিত্তিক Hydrogen ব্যবহার করে Green Ammonia উৎপাদনের উদ্যোগ শিল্পের Carbon Footprint কমাতে সহায়ক হতে পারে। সরকারি ২৮ অক্টোবরের Backgrounder-এ Green Ammonia Auction-কে প্রাথমিক অগ্রগতির একটি ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
Hydrogen Train: ভারতের রেলপথে সম্ভাবনা
Hydrogen Fuel Cell ব্যবহার করে ট্রেনের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। Fuel Cell-এ Hydrogen ও Oxygen-এর বিক্রিয়ায় বিদ্যুৎ তৈরি হয় এবং ব্যবহারের স্থানে প্রধান উপজাত হিসেবে জল ও তাপ পাওয়া যায়। ভারতীয় Hydrogen Train উদ্যোগের কথা সরকারি Backgrounder-এ উল্লেখ আছে; কিন্তু এর অর্থ দেশের সব রেলপথে Hydrogen Train চালু হয়েছে নয়।
Steel, Refinery ও Heavy Transport-এ ব্যবহার
Steel Manufacturing, Petroleum Refining ও Fertiliser-এর মতো শিল্পে Hydrogen-এর ব্যবহার বা সম্ভাব্য ব্যবহার রয়েছে। Heavy-duty Truck ও Shipping-এও প্রযুক্তি উন্নয়ন চলছে। তবে প্রতিটি খাতে উৎপাদন, Storage, Safety, Refuelling Infrastructure এবং খরচের বাস্তব সমস্যা রয়েছে।
Hydrogen Fuel Cell ও Battery EV-এর পার্থক্য
Battery Electric Vehicle সরাসরি বিদ্যুৎ Battery-তে জমা রেখে Motor চালায়। Hydrogen Fuel Cell Vehicle Hydrogen থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে Motor চালাতে পারে। কোন প্রযুক্তি বেশি উপযোগী হবে তা যানবাহনের ধরন, Distance, Refuelling, Efficiency ও Infrastructure-এর উপর নির্ভর করে।
Green Hydrogen-এর বড় চ্যালেঞ্জ
Renewable Power-এর প্রাপ্যতা, Electrolyser Cost, জলের চাহিদা, Hydrogen Compression বা Liquefaction, Pipeline ও Storage Safety এবং ক্রেতাদের দীর্ঘমেয়াদি Demand—এসব বড় চ্যালেঞ্জ। তাই প্রযুক্তিগত সম্ভাবনাকে আজই সর্বত্র সস্তা বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।
Green Hydrogen কি সম্পূর্ণ Pollution-free?
Fuel Cell ব্যবহারের স্থানে Carbon Dioxide না বেরোলেও Hydrogen উৎপাদন, পরিবহন, যন্ত্রপাতি তৈরি এবং অবকাঠামোর Life-cycle Impact থাকতে পারে। পরিবেশগত সুবিধা নির্ধারণে পুরো Supply Chain বিবেচনা করা জরুরি।
FAQ: Green Hydrogen কি সরাসরি খনি থেকে পাওয়া যায়?
সাধারণত না। শিল্পে ব্যবহৃত Hydrogen অন্য যৌগ থেকে উৎপাদন করতে হয়; Green Hydrogen-এর ক্ষেত্রে Renewable Electricity-ভিত্তিক Electrolysis গুরুত্বপূর্ণ।
FAQ: Green Hydrogen কি সব গাড়ির জন্য সেরা?
না। যানবাহনের ধরন, খরচ, Efficiency এবং Charging বা Refuelling Infrastructure অনুযায়ী উপযুক্ত প্রযুক্তি বদলে যায়।
Official Source
PIB Backgrounder: Green Hydrogen, 28 October 2026।
তথ্য যাচাই ও প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬।
Leave a Comment