দেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টর দীর্ঘদিন ধরে ভারতের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে গত সাড়ে পাঁচ বছরে Public Sector Banks (PSBs) প্রায় ₹6.15 lakh crore টাকার Loan write off করেছে। এই খবর শুনে সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন এই টাকা কি মাফ হয়ে গেল? কে এই বিশাল টাকা খেল? আমাদের উপর কী প্রভাব পড়বে?
এই ব্লগে সহজ বাংলা ভাষায়, প্রয়োজন অনুযায়ী ইংলিশ শব্দ ব্যবহার করে আমরা পুরো বিষয়টা গভীরভাবে বুঝবো।
Loan “Write Off” মানে কি?
অনেক মানুষ ভুল বোঝে যে loan write off মানে ব্যাংক ঋণ মাফ করে দেয়।
কিন্তু বাস্তব সত্য আলাদা।
Write off মানে হচ্ছে ব্যাংক ধরে নিচ্ছে, এই loan থেকে এখনই টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তাই ব্যাংকের হিসাবের খাতায় (balance sheet) এটাকে bad loan বা Non Performing Asset (NPA) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
Loan মাফ হওয়া মানে নয় Loan বাতিল হয়েছে।
ব্যাংক ভবিষ্যতে আইনগত পথে টাকা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে।
₹6.15 Lakh Crore এই অংকটা আসলে কতো বড়?
এই সংখ্যাটা সাধারণভাবে বোঝা কঠিন। একটু সহজভাবে বলি:
- ₹6.15 lakh crore = 6,15,00,00,00,000 টাকা (প্রায়)
- এই টাকা দিয়ে তৈরি করা যেত:
- হাজার হাজার হাসপাতাল
- কোটি কোটি ছাত্রের পড়াশোনার ফান্ড
- গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্প
এত বড় অঙ্ক “write off” হওয়া মানে দেশের অর্থনীতির জন্য একটা বড় signal।
কারা সাধারণত এই লোনগুলো নেয়?
এই write off হওয়া loan গুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছিল:
বড় বড় Industrialists
Corporate Companies
Infrastructure Projects
Power & Steel Sector
ছোট কৃষক বা সাধারণ মানুষ সাধারণত এই অংকের বড় loan পায় না। এখানেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বেশি।
কেন Public Sector Banks এত Loan Write Off করলো?
এর কয়েকটা বড় কারণ আছে:
Corporate Loan Default
বহু বড় কোম্পানি loan নিয়েছিল কিন্তু সময় মতো টাকা ফেরত দেয়নি।
Poor Risk Assessment
অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক ঠিকভাবে company-র financial health যাচাই করেনি।
Political & Systemic Pressure
কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা সিস্টেমিক চাপের কারণেও বড় loan দেওয়ার decision নেওয়া হয়েছে।
Economic Slowdown
দেশে ও বিশ্বে economic slowdown হওয়ার ফলে অনেক company ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়ে।
Loan Waiver vs Loan Write Off পার্থক্য জানো?
অনেকেই confusion করে:
| বিষয় | Loan Waiver | Loan Write-Off |
|---|---|---|
| অর্থ | সম্পূর্ণ মাফ | হিসাব থেকে বাদ |
| Recovery চেষ্টা | হয় না | legal recovery চলতে পারে |
| সাধারণত কার জন্য | কৃষক | বড় corporate |
এই টাকা কি সাধারণ taxpayer-এর উপর চাপ ফেলবে?
এই প্রশ্নটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Public sector banks মানে সরকারি ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলোর টাকা আসে মূলত:
- Citizens-এর deposit
- Government support
- Tax payer-এর money
যখন loan recover হয় না → bank loss → সরকার bank recapitalise করে → ultimately tax payer burden বাড়ে।
অর্থাৎ indirect ভাবে সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব পড়ে।
RBI এর ভূমিকা এখানে কী?
Reserve Bank of India এই বিষয়টা tightly monitor করে।
RBI নির্দেশ দেয়:
কোন loan কে NPA হিসেবে ধরা হবে
কোন ক্ষেত্রে write off হবে
Recovery process কেমন হবে
কিন্তু RBI নিজে loan দেয় না, control এবং regulation করে।
বড় Defaulters কারা?
সরকারি তথ্য অনুযায়ী বড় write off হওয়া loan এর পেছনে ছিল:
- Infrastructure giants
- Steel companies
- Power sector companies
- Real estate groups
কিন্তু এখানে sensitive data থাকার কারণে সব নাম public করা হয় না।
সরকার কী বলছে?
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে:
Loan write off মানে loan cancellation নয়
Legal recovery process চলেছে
IBC (Insolvency and Bankruptcy Code) process চলছে
ভবিষ্যতে কীভাবে এই সমস্যা আটকানো যাবে?
কিছু গুরুত্বপূর্ণ solution:
Strong credit checking system
Transparent loan approval
Faster legal recovery
Political interference control
Real time digital monitoring
সাধারণ মানুষের জন্য এর মানে কী?
তুমি যদি:
- Loan নিতে চাও
- Bank-এ money deposit রাখো
- Tax payer হও
তাহলে এই issue তোমার জন্য definitely important।
কারণ long-term-এ:
Bank stricter loan policy আনবে
Interest rate পরিবর্তন হতে পারে
Banking system এ trust factor প্রভাবিত হতে পারে
Conclusion
₹6.15 lakh crore loan write-off মানে কোনও ছোট ঘটনা না। এটা ভারতের banking history-র অন্যতম বড় financial reality। এখানে corporate sector, government policy, bank management সবকিছু জড়িয়ে আছে।
সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় message:
Loan নেওয়া সহজ, কিন্তু repayment অত্যন্ত জরুরি।
System transparency দরকার
Strong financial discipline ছাড়া banking system healthy হয় না।